স্মার্টফোন কেনার সময় যেসব বিষয় লক্ষনীয়

ফোন যে শুধু কথা বলার জন্যএই প্রথা ভেঙে বিশ্বকে হাতের তালুতে এনেছেস্মার্টফোন। ছবি তোলা, গেমিং, ইন্টারনেটব্রউজিং, ঘরের ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র নিয়ন্ত্রন করাথেকে শুরু করে কতশত কাজ করা যায়স্মার্টফোনে। তথ্যপ্রযুক্তি যুগের আর্শিবাদ এটি।
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে একটাস্মার্টফোন আপনার প্রয়োজনই বটে। ভাবছেনপুরনো ফোনটি বাদ দিয়ে এবার নতুনস্মার্টফোন কিনবেন। প্রতিযোগিতার বাজারেএত এত ফোনের ভিরে কোনটি ভাল হবে ভেবেপাচ্ছেন না। বাজেটের মধ্যে কোন ফোনটিআপনার চাহিদা মেটাতে পারবে। ব্যাটারি,র্যাম, মেমোরি, ক্যামেরা, সফটওয়্যারসহ কোনকোন বিষয়গুলোর দিকে নজর দিবেন?জেনেনিন যে বিষয় গুলোর দিকে নজর দিতেহব।
একটি স্মার্টফোন থেকে ভাল পারফরমেন্সপেতে হলে র্যাম প্রসেসর শক্তিশালী হতে হবে।তাই এই দিকটা দেখতে হবে। র্যাম যত বেশিহবে, ফোনের অ্যাপগুলিও ততটাই মসৃণভাবেচলবে। আপনার প্রায়োরিটি যদি গেমিং হয়,তবে এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ফোন কেনারসময়ে নজর দিন র্যামের সংখ্যার দিকে। তারসঙ্গে দেখুন সব থেকে ভালো প্রসেসর কোনফোনে। আপনার বাজেটের মধ্যে সবচেয়েবেশি র্যাম পাবেন এমন ফোনই নির্বাচনকরুন।
ফোনের স্টোরেজ বা মেমোরির বিষয়টিও বেশগুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ফোন এক্সটার্নাল মেমোরিকার্ড ব্যবহার করতে চায় না। তাই ফোনকেনার সময়ে অন্তত ৩২ জিবি ইন্টারনালস্টোরেজের ফোন কেনার চেষ্টা করুন। এছাড়াসর্বোচ্চ কত জিবি এক্সটার্নাল মেমোরি ব্যবহারকরা যাবে তা দেখে নিবেন। বর্তমানে বাজারেসর্বোচ্চ ৫১২ জিবি থেকে ১ টেরা বাইট ধারণক্ষমতার স্মাট ফোন পাওয়া যায়।
আপনার যদি ফটোগ্রাফিতে ঝোক থাকে তবেক্যামেরর দিকে বিশেষ নগর দিন। যত দিনযাচ্ছে স্মার্টফোনে ক্যামেরার মান উন্নত হচ্ছে।বাজারে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার ফোনেবেশ ভালোমানের ক্যামেরা দিচ্ছে একাধিকমোবাইল কম্পানি। তবে শুধু ক্যামেরারমেগাপিক্সেল দেখে ফোন নির্বাচন করবেন না।কারণ বেশি মেগাপিক্সেলের ক্যামেরার গুণগতমানও কম হতে পারে। তাই ফোন কেনারআগে বিভিন্ন ফোরাম ঘেঁটে যাচাই করে নিনক্যামেরার মান।
অন্যান্য স্পেসিফিকেশন যতই ভালো হোক নাকেন,ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী না হলে সব বৃথা।ব্যাটারি মাপা হয় মিলিঅ্যাম্পিয়ার এককে।ফোন কেনার সময়ে দেখে নিন ফোনেরব্যাটারির মিলি অ্যাম্পিয়ার কত। সম্পূর্ণ চার্জদিয়ে কত ঘন্টা ব্যবহার করতে পারবেন। একটুভাল বাজেটে ফাস্ট চার্জিংয়ের সুবিধা পাবেন।
ফোনের ডিসপ্লে বা পর্দা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ একটিঅংশ। ফোনের সব দিকটা আপনি এইসিপ্লেতেই দেখেন। তাই গেমিং বা ভিডিওদেখার মতো কাজের জন্য পরিষ্কার ঝকঝকেডিসপ্লে জরুরি। ফোন কেনার সময়ে নজরেরাখুন পর্দার রেজোলিউশন। তার সঙ্গে ফোনেরক্রিন-টু-বডি রেশিও জেনে নিন।
বাজারের প্রায় সব বাজেট ফোনই অ্যান্ড্রয়েডঅপারেটিং সিস্টেমে চলে। তবে আইওএসএবং উয়েনডুস ও ভবহার করা হয়। যদিঅ্যানড্রয়েড সফটওয়্যার থাকে তবে দেখে নিনফোনে সর্বশেষ অ্যান্ড্রয়েডের সংস্করণটি আছেকিনা। না থাকলেও আপডেট করা সম্ভব কি নাজেনে নিন।
এছাড়া ফোনে কোন প্রসেসর ব্যবহার করাহয়েছে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। অবশ্যইআপডেট ভার্সনের প্রসেসর সমৃদ্ধ স্মাটফোনকিনবেন । এতে কাজ করার সময় ফোন হ্যাংহওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না এবং মসৃণভাবেকাজ করতে পারবেন।
কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন