সুজুকি 150 সিসির জিক্সার বাইক নিয়ে কিছু তথ্য!
ভারতের বাজারে 155 সিসির নতুন জিক্সার মোটরসাইকেল আনছে সুজুকি!
নতুন জিক্সার এই মোটরসাইকেলটিতে যা যা থাকছেঃ
1, 155 সিসির ইঞ্জিন।
2, নতুন জিক্সার 155 মডেলের মোটরসাইকেলটিতে সবার আগে নজরে পড়বে সামনে এলইডি লাইট।
3, এই মোটরসাইকেলটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ডুয়েল কালার টোন এবং নতুন ডিজাইনের ফুয়েল ট্যাংক।
4, সুজুকি জিক্সার এসএফ মডেলে যে ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহৃত হয়েছে ওই একই ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহৃত হয়েছে সুজুকি 155 মডেলে।
5, এর আগের ভার্সনটির ওজন ছিল 146 কিলোগ্রাম তার চাইতে কম ওজনে আসবে জিক্সার 155 মডেলটি।
নতুন জিক্সার এই মোটরসাইকেলটিতে যা যা থাকছেঃ
1, 155 সিসির ইঞ্জিন।
2, নতুন জিক্সার 155 মডেলের মোটরসাইকেলটিতে সবার আগে নজরে পড়বে সামনে এলইডি লাইট।
3, এই মোটরসাইকেলটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ডুয়েল কালার টোন এবং নতুন ডিজাইনের ফুয়েল ট্যাংক।
4, সুজুকি জিক্সার এসএফ মডেলে যে ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহৃত হয়েছে ওই একই ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহৃত হয়েছে সুজুকি 155 মডেলে।
5, এর আগের ভার্সনটির ওজন ছিল 146 কিলোগ্রাম তার চাইতে কম ওজনে আসবে জিক্সার 155 মডেলটি।
বাইকটির টুইন ব্যারেল এক্সহস্ট দেখতে এবং শুনতে খুবই চমৎকার। বাইকটির প্যাসেঞ্জার গ্র্যাব রেইল বাইকটির বডির সাথে সমন্বয় করা, যা দেখতে খুবই সুন্দর লাগে।
লুকস এর দিক দিয়ে এটি মাসকুলার একটি বাইক, এবং এটা বেশিরভাগ মানুষকেই আকৃষ্ট করবে। তবে, বর্তমানে এর কম্পিটিটররাও মাসকুলার লুকস এর, ফলে লুকস এর দিক দিয়ে এর কম্পিটিশন অনেক বেশি।
বাইকটির ডিজাইন এবং ইঞ্জিন গত ৫ বছরে কোনপ্রকার পরিবর্তন হয়নি, কেবলমাত্র বাইকটির স্টিকার এবং রঙ পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে, স্টিকার এবং কালার চেঞ্জের মধ্য দিয়েও বাইকটি এখনো অনেকের কাছেই অত্যান্ত আকর্ষনীয় একটি বাইক।
বাইকটির বিল্ড কোয়ালিটি নিয়ে কোনরকম অভিযোগ করার সুযোগ নেই, তবে কিছু জায়গার প্লাস্টিক কোয়ালিটি যেমন সুইচ গিয়ার, ফুয়েল ট্যাংক মাউন্টিং – এগুলো আরেকটু উন্নত মানের হওয়া উচিত ছিলো। বাইকটির দুপাশের এয়ার স্কুপ আমার খুবই পছন্দ হয়েছে।
কিছু বাইকার বাইকটির হেডলাইট নিয়ে অভিযোগ জানান। হেডলাইটটি ডিসি হলেও এর প্রজ্জ্বলন ক্ষমতা সামান্য কম, বাইকটিতে আরেকটু শক্তিশালি হ্যালোজেন হেডলাইট দেয়ার দরকার ছিলো।
বাইকটিতে একটি ১৫৫ সিসি ইঞ্জিন রয়েছে। সিঙ্গেল সিলিন্ডার ২ ভালভবিশিষ্ট ইঞ্জিনটি ১৪.৬ বিএইচপি শক্তি ও ১৪ নিউটন মিটার টর্ক উতপন্ন করে। পাওয়ার এবং টর্ক এর দিক থেকে এটা ১৬০ সিসির বাইকগুলোর থেকে সামান্য কম হলেও ১৫০ সিসির বাইকগুলোর থেকে বেশি।
বাইকটির ইঞ্জিন থেকে বেশ ভালো পরিমানের গর্জন আসে, এবং এর রেডি পিকাপ এবং স্মুথ গিয়ারবক্স এর কারনে এটা ০-১০০ কিমি/ঘন্টা ড্রাগ রেসে সেগমেন্টের অন্যান্য কম্পিটিটরদের হারিয়ে দিতে পারে। এছাড়াও বাইকটির ওজন মাত্র ১৩৫ কিলোগ্রাম হওয়ায় বাইকটি খুবই ভালো এক্সেলেরেট করে।
বাইকটির ইঞ্জিন সম্পূর্ন রিফাইন্ড না, এবং ৭,০০০ আরপিএম এর পরে ফুটপেগে এবং ফুয়েল ট্যাংকে সামান্য ভাইব্রেশন টের পাওয়া যায়। বাইকটিতে বিএসফোর স্ট্যান্ডার্ড ইঞ্জিন বা এইএচও নেই। আমি বাইকটি কোন বিরতি ছাড়াই ৭০ কিমি রাইড করেও এক মুহুর্তের জন্যও আনকমফোর্টেবল বোধ করিনি।
বাইকটির গিয়ারবক্স থেকে শুরুতে একটা নকিং সাউন্ড আসলেও প্রথম সার্ভিসিং এর পরে তা ঠিক হয়ে যায়, এবং এটা আরো স্মুথ হয়ে যায়। বাইকটির পেছনে ১৪০ সেকশন টায়ার এবং সামনে ৪২ মিলিমিটার এর ফ্রন্ট সাসপেনশন বাইকটিকে অসাধাওরন কর্নারিং করার ক্ষমতা দেয়।


কোন মন্তব্য নেই
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন